নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের এক কর্মচারীর ঘুষ নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে ছড়িয়ে পড়া কয়েক সেকেন্ডের ভিডিওতে কৌশলে ঘুষের অর্থ লেনদেন করতে দেখা যায়। তবে ওই কমর্চারী বলেছেন, এগুলো নকলনবিশদের জন্য পারিশ্রমিকের অর্থ।
ভিডিওতে দেখা গেছে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কেরানি কামরুন্নাহার টেবিলের এক পাশে বসে রয়েছেন। অপর পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বেশ কয়েকজন সেবাগ্রহীতা। তাদের মধ্যে একজনের কাছ থেকে কৌশলে ঘুষের অর্থ লেনদেন করেছেন।
জানা গেছে, গতকাল গভীর রাত অবধি চলে দলিল সম্পাদনের কাজ। অতিরিক্ত অর্থ না দিলে সম্পাদন হয়না কোন দলিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কয়েকজন জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কাজের ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেন হয়েই থাকে। যা সাব-রেজিস্ট্রার নিয়ন্ত্রণ করেন। এটিই এখন নিয়ম হয়ে গেছে।
কামরুন্নাহার বলেন, গতকাল সেবাগ্রহীতার চাপে একটু বেশি সময় ধরে দলিল সম্পাদন হয়েছে। অতিরিক্ত টাকা নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এগুলো নকলনবিশদের জন্য পারিশ্রমিকের অর্থ।
জেলা রেজিস্টার সাইফুল ইসলাম বলেন , বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।
ভিডিওতে দেখা গেছে, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কেরানি কামরুন্নাহার টেবিলের এক পাশে বসে রয়েছেন। অপর পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বেশ কয়েকজন সেবাগ্রহীতা। তাদের মধ্যে একজনের কাছ থেকে কৌশলে ঘুষের অর্থ লেনদেন করেছেন।
জানা গেছে, গতকাল গভীর রাত অবধি চলে দলিল সম্পাদনের কাজ। অতিরিক্ত অর্থ না দিলে সম্পাদন হয়না কোন দলিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের কয়েকজন জানান, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে কাজের ক্ষেত্রে অর্থ লেনদেন হয়েই থাকে। যা সাব-রেজিস্ট্রার নিয়ন্ত্রণ করেন। এটিই এখন নিয়ম হয়ে গেছে।
কামরুন্নাহার বলেন, গতকাল সেবাগ্রহীতার চাপে একটু বেশি সময় ধরে দলিল সম্পাদন হয়েছে। অতিরিক্ত টাকা নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এগুলো নকলনবিশদের জন্য পারিশ্রমিকের অর্থ।
জেলা রেজিস্টার সাইফুল ইসলাম বলেন , বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।
সবুজ সরকার